সর্বকালের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে পেঁয়াজের দাম। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পিয়াজের বাজারে অস্থিরতা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পিয়াজের দাম কেজি প্রতি ডাবল সেঞ্চুরিতে গিয়ে ঠেকেছে। গতকাল বুধবার ঢাকার পাড়া-মহল্লার বাজার ও মুদি দোকানগুলোতে প্রতিকেজি দেশি পিয়াজ ১৭০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও আজ কোথাও কোথাও তা ২০০ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা মিলেছে।
তবে গতকাল বুধবারও কোথাও কোথাও দেশি পিয়াজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। বুধবার বিকালে মিরপুরের পীরেরবাগ কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, দেশি ক্রস জাতের পিয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। এর থেকে বাছাই করা তুলনামূলক ভালো মানের পিয়াজের দাম চাওয়া হচ্ছিল প্রতিকেজি ২০০ টাকা।
এদিকে, পিয়াজের দাম বাড়ার সাথে সাথে পিয়াজের বিক্রিও কমেছে। কারওয়ান বাজারের এক মুদি দোকানি বলেন, দাম বাড়ার কারণে পিয়াজ বিক্রিও কমে গেছে। আগে দিনে ২০ কেজির মতো বিক্রি হলেও এখন ৭ কেজি পিয়াজও বিক্রি হয় না।
দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিরপুর-১ নম্বরে পাইকারি আড়তদার মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, সত্যিকার অর্থেই বাজারে পিয়াজের প্রচুর সংকট রয়েছে। সেই কারণে সরকার নানা অভিযান চালানোর পরও, অনেক জেল-জরিমানা করার পরও দাম কমাতে পারেনি। কয়েকদিন আগে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আমদানি করা পিয়াজ সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আর সেই কারণেই এখন বাজারের এই পরিস্থিতি। সরকারের বাজার মনিটরিং কঠোর না হওয়ার সুযোগেই ফায়দা নিচ্ছে কিছু আড়তদার ও ব্যবসায়ী বলে অভিমত ভোক্তাদের। সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে লাগামহীন এই পেঁয়াজের বাজার দেখে।
তবে গতকাল বুধবারও কোথাও কোথাও দেশি পিয়াজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। বুধবার বিকালে মিরপুরের পীরেরবাগ কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, দেশি ক্রস জাতের পিয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। এর থেকে বাছাই করা তুলনামূলক ভালো মানের পিয়াজের দাম চাওয়া হচ্ছিল প্রতিকেজি ২০০ টাকা।
এদিকে, পিয়াজের দাম বাড়ার সাথে সাথে পিয়াজের বিক্রিও কমেছে। কারওয়ান বাজারের এক মুদি দোকানি বলেন, দাম বাড়ার কারণে পিয়াজ বিক্রিও কমে গেছে। আগে দিনে ২০ কেজির মতো বিক্রি হলেও এখন ৭ কেজি পিয়াজও বিক্রি হয় না।
দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিরপুর-১ নম্বরে পাইকারি আড়তদার মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, সত্যিকার অর্থেই বাজারে পিয়াজের প্রচুর সংকট রয়েছে। সেই কারণে সরকার নানা অভিযান চালানোর পরও, অনেক জেল-জরিমানা করার পরও দাম কমাতে পারেনি। কয়েকদিন আগে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আমদানি করা পিয়াজ সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আর সেই কারণেই এখন বাজারের এই পরিস্থিতি। সরকারের বাজার মনিটরিং কঠোর না হওয়ার সুযোগেই ফায়দা নিচ্ছে কিছু আড়তদার ও ব্যবসায়ী বলে অভিমত ভোক্তাদের। সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে লাগামহীন এই পেঁয়াজের বাজার দেখে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন