পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে দেশের বেশ কয়েকটি বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মিশর ও তুরস্ক থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করছে। দু’একদিনের মধ্যে এসব পেঁয়াজের বড় ধরনের চালান দেশে পৌঁছালে দ্রুত দাম কমে যাবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
আমদানিকারকদের উৎসাহিত করতে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এবং সুদের হার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্থল ও নৌ বন্দরগুলোতে আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে। সেই অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলসি’র মাধ্যমে মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বন্দরে খালাস করা হচ্ছে। এছাড়া মায়ানমার থেকে বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে টেকনাফ বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পেঁয়াজ এবং দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারি হাটগুলোতে বিক্রিত পেঁয়াজ দ্রুত সারাদেশে নির্বিঘ্নে পৌঁছে যাচ্ছে।
ভোক্তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, পেঁয়াজের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ট্রাক সেলে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রয় করছে। ৩৫টি ট্রাকের মাধ্যমে প্রতি কেজি ৪৫ টাকায় বিক্রয় চলছে। বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৌঁছানোর জন্য সবধরনের পদক্ষেপ নপয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের ১০জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়াও, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৪টি টিম প্রতিদিন ঢাকার বাজারগুলোতে মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে।
সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বলা যায়, বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে, প্রতিদিন আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসছে, দু’একদিনের মধ্যে বড় আমদানি চালান দেশে পৌঁছাবে। ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই, পেঁয়াজের দাম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন