আলোচিত-সমালোচিত আজিজ মোহাম্মদ ভাই কয়েক যুগ ধরেই মানুষের কাছে অতি পরিচিত। বাংলাদেশের মাফিয়া ডন হিসেবে তাকে অনেকেই চেনেন। নায়ক সালমান শাহের নিহতের ঘটনায় এবং চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যায় সরাসরি তার হাত রয়েছে বলে ব্যাপক আলোচিত তিনি। একসময় এ দেশের শোবিজ-জগৎ ছিল তারই নিয়ন্ত্রণে।
![]() |
| সালমান শাহ ও সোহেল চৌধুরী |
দেশী-বিদেশী অনেক নায়ক-নায়িকার লাইন পড়ে যেত তার বাসায়। ওয়ান ইলেভেনের পর থেকেই তিনি অনেকটা আনসিন হয়ে যান। জানা যায়, ওই সময় তিনি দেশ ছেড়ে চলে যান সিঙ্গাপুরে। তখন থেকেই তিনি থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরেই রয়েছেন।
১৯৯৭ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই। অভিযোগ রয়েছে, এক অনুষ্ঠানে সালমান শাহের স্ত্রী সামিরাকে আজিজ ভাই চুমু খেয়েছিলেন। সালমান শাহ তখন আজিজ ভাইকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারেন। এর কয়েক দিন পরই রহস্যজনকভাবে মারা যান সালমান শাহ। পরবর্তীতে সালমান শাহ হত্যা মামলা চলাকালীন আজিজের লোকজনের প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে সালমানের মা নীলা চৌধুরী ও তার ছোট ছেলে লন্ডনে চলে যান ।
নায়ক সালমানের চলে যাওয়ার ২৩ বছর পরও সালমান শাহ ভক্তরা বিচার দাবীতে সরব রয়েছে। তাদের চাওয়া সালমান শাহর হত্যার বিচার। মামলার তদন্তভার পিবিআই এর ওপর। তারা বেশ কয়েকবার তারিখ পিছিয়েছে প্রতিবেদন রায় আদালতে জমা দিতে।
নায়ক সালমানের চলে যাওয়ার ২৩ বছর পরও সালমান শাহ ভক্তরা বিচার দাবীতে সরব রয়েছে। তাদের চাওয়া সালমান শাহর হত্যার বিচার। মামলার তদন্তভার পিবিআই এর ওপর। তারা বেশ কয়েকবার তারিখ পিছিয়েছে প্রতিবেদন রায় আদালতে জমা দিতে।
নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর দুই বছর পর ১৯৯৯ সালে খুন হন আরেক চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী। যিনি একসময় নায়িকা দিতির স্বামী ছিলেন। এই হত্যায়ও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। সোহেল চৌধুরী হত্যার পর আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং বান্টি ইসলামকে গ্রেফতারও করা হয়। ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এই খুনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে; কিন্তু আদালতে কিছুই প্রমাণ করা যায়নি আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
এর আগে এরশাদের আমলে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন একবার। জানা যায়, এরশাদের প্রেমিকা মেরিকে নিয়ে আজিজ ভাইয়ের সাথে এরশাদের ঝামেলা হয়েছিল। এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই তিনি আজিজ ভাইকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন