নায়ক সালমান শাহর ছবিটি পাশে রেখে ছবি তুলছেন নানান বয়সের নারী-পুরুষ। শত মানুষের পদচারণে মুখর রাজধানী মতিঝিল এলাকার মধুমিতা সিনেমা হলের পরিবেশ। এখানে চলছে সপ্তাহব্যাপী ‘সালমান শাহ জন্মোৎসব-২০১৯’। ১৯ সেপ্টেম্বর জমকালো উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ উৎসবের যাত্রা হয়। বুধবার উৎসবের ষষ্ঠ দিন চারটি প্রদর্শনী হয় সালমান শাহর ব্যবসা সফল ছবি ‘অন্তরে অন্তরে’।
১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটে জন্ম নেওয়া চৌধুরী সালমান শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ বেঁচে থাকলে এ বছর ৪৯-এ পা রাখতেন। ১৯ সেপ্টেম্বর ছিল তাঁর ৪৯তম জন্মদিন। সালমান শাহ নেই, তাঁর অকালে চলে যাওয়ার নিদারুণ বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘সালমান শাহ জন্মোৎসব ২০১৯’। ঢুলি কমিউনিকেশনসের আয়োজনে টিএম ফিল্মস নিবেদিত উৎসবটি দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।
পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উৎসবের প্রথম ছবি হিসেবে দিনব্যাপী প্রদর্শিত হয় সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত সালমান শাহ-মৌসুমীর অভিষেক ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। এরপর প্রতিদিন একটি করে যথাক্রমে ‘তোমাকে চাই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ প্রদর্শিত হয়।
মধুমিতা মুভিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার নওশাদ বলেন, বর্তমান বাজারের তুলনায় উৎসবটি বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে উল্লেখযোগ্য দর্শকের উপস্থিতি হয়। আজ বুধবার বৃষ্টির দিনেও দর্শকের ভালো উপস্থিতি ছিল। ছবির ‘ও দাদি ও দাদি’, ‘কালতো ছিলাম ভালো’, ‘এখানে দুজনে নির্জনে’, ‘ও হিরো আই লাভ ইউ’ এবং ‘ভালোবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া’ গানগুলোতে দর্শককে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে। অনেককে গাইতেও দেখা গেছে।
বুধবার প্রদর্শিত ‘অন্তরে অন্তরে’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৪ সালের ১০ জুন। পরিচালনা করেন শিবলি সাদিক। কাহিনি লিখেছেন ফেরদৌস ও চিত্রনাট্য করেছেন পরিচালক নিজেই। আশা প্রডাকশনস লিমিটেডের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন মেহবুব হোসেন। এতে সালমান শাহের বিপরীতে অভিনয় করেন তাঁর প্রথম ছবির নায়িকা মৌসুমী। আরও আছেন আনোয়ারা, রাজীব প্রমুখ। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলম খান। গীত রচনা করেছেন মনিরুজ্জামান মনির। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন রুনা লায়লা, অ্যান্ড্রু কিশোর, আগুন, রিজিয়া পারভিন ও খালিদ হাসান মিলু।
উৎসবের পর্দা নামবে ২৬ সেপ্টেম্বর ‘সত্যের মৃত্যু নাই’ ছবিটির মাধ্যমে। ‘সত্যের মৃত্যু নেই’ মুক্তি পায় ১৯৯৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। এর মাত্র সাত দিন আগেই (৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬) না–ফেরার দেশে পাড়ি জমান স্বপ্নের এই নায়ক। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ছটকু আহমেদ এবং যৌথভাবে রচনা করেছেন ছটকু আহমেদ ও পানাউল্লাহ আহমেদ। এতে আরও অভিনয় করেছেন আলমগীর, শাবানা, শাহনাজ, রাইসুল ইসলাম আসাদ ও রাজীব। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলাউদ্দিন আলী। গীত রচনা করেছেন মাসুদ করিম। উৎসবের আহ্বায়ক নিপু বড়ুয়া প্রথম আলোকে জানান, দুপুর ১২টা, বেলা ৩টা, সন্ধ্যা ৬টা এবং শেষ শো শুরু হবে রাত ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে। টিকিটের মূল্য ১০০ ও ১৫০ টাকা।
এর আগে ২০১৪ সালে ঢুলি কমিউনিকেশনসের উদ্যোগে রাজধানীর বলাকা প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হয় ‘সালমান শাহ স্মরণ উৎসব’। সে বছর ৬ সেপ্টেম্বর এই নায়কের মৃত্যুবার্ষিকীকে ঘিরে আয়োজিত উৎসবটি ব্যাপক সাড়া ফেলে সারা দেশে। উৎসব প্রসঙ্গে ঢুলি কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদ মানজুর বলেন, ‘এ উৎসবে দর্শকের যে সাড়া আমরা পেয়েছি, সেটি এককথায় অবিশ্বাস্য। এমনও দেখেছি যে ঢাকা বাইরে থেকেও শুধু সালমান শাহর ছবি দেখার জন্য মানুষ এসেছে। আমরা স্বপ্ন দেখি সালমান শাহর ৫০তম জন্মবার্ষিকী দেশজুড়ে আরও বর্ণিল আয়োজনে করার। সেই প্রস্তুতি আমরা এর মধ্যে শুরু করেছি।’
১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটে জন্ম নেওয়া চৌধুরী সালমান শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ বেঁচে থাকলে এ বছর ৪৯-এ পা রাখতেন। ১৯ সেপ্টেম্বর ছিল তাঁর ৪৯তম জন্মদিন। সালমান শাহ নেই, তাঁর অকালে চলে যাওয়ার নিদারুণ বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘সালমান শাহ জন্মোৎসব ২০১৯’। ঢুলি কমিউনিকেশনসের আয়োজনে টিএম ফিল্মস নিবেদিত উৎসবটি দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।
পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উৎসবের প্রথম ছবি হিসেবে দিনব্যাপী প্রদর্শিত হয় সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত সালমান শাহ-মৌসুমীর অভিষেক ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। এরপর প্রতিদিন একটি করে যথাক্রমে ‘তোমাকে চাই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ প্রদর্শিত হয়।
মধুমিতা মুভিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার নওশাদ বলেন, বর্তমান বাজারের তুলনায় উৎসবটি বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে উল্লেখযোগ্য দর্শকের উপস্থিতি হয়। আজ বুধবার বৃষ্টির দিনেও দর্শকের ভালো উপস্থিতি ছিল। ছবির ‘ও দাদি ও দাদি’, ‘কালতো ছিলাম ভালো’, ‘এখানে দুজনে নির্জনে’, ‘ও হিরো আই লাভ ইউ’ এবং ‘ভালোবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া’ গানগুলোতে দর্শককে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে। অনেককে গাইতেও দেখা গেছে।
বুধবার প্রদর্শিত ‘অন্তরে অন্তরে’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৪ সালের ১০ জুন। পরিচালনা করেন শিবলি সাদিক। কাহিনি লিখেছেন ফেরদৌস ও চিত্রনাট্য করেছেন পরিচালক নিজেই। আশা প্রডাকশনস লিমিটেডের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন মেহবুব হোসেন। এতে সালমান শাহের বিপরীতে অভিনয় করেন তাঁর প্রথম ছবির নায়িকা মৌসুমী। আরও আছেন আনোয়ারা, রাজীব প্রমুখ। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলম খান। গীত রচনা করেছেন মনিরুজ্জামান মনির। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন রুনা লায়লা, অ্যান্ড্রু কিশোর, আগুন, রিজিয়া পারভিন ও খালিদ হাসান মিলু।
উৎসবের পর্দা নামবে ২৬ সেপ্টেম্বর ‘সত্যের মৃত্যু নাই’ ছবিটির মাধ্যমে। ‘সত্যের মৃত্যু নেই’ মুক্তি পায় ১৯৯৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। এর মাত্র সাত দিন আগেই (৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬) না–ফেরার দেশে পাড়ি জমান স্বপ্নের এই নায়ক। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ছটকু আহমেদ এবং যৌথভাবে রচনা করেছেন ছটকু আহমেদ ও পানাউল্লাহ আহমেদ। এতে আরও অভিনয় করেছেন আলমগীর, শাবানা, শাহনাজ, রাইসুল ইসলাম আসাদ ও রাজীব। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলাউদ্দিন আলী। গীত রচনা করেছেন মাসুদ করিম। উৎসবের আহ্বায়ক নিপু বড়ুয়া প্রথম আলোকে জানান, দুপুর ১২টা, বেলা ৩টা, সন্ধ্যা ৬টা এবং শেষ শো শুরু হবে রাত ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে। টিকিটের মূল্য ১০০ ও ১৫০ টাকা।
এর আগে ২০১৪ সালে ঢুলি কমিউনিকেশনসের উদ্যোগে রাজধানীর বলাকা প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হয় ‘সালমান শাহ স্মরণ উৎসব’। সে বছর ৬ সেপ্টেম্বর এই নায়কের মৃত্যুবার্ষিকীকে ঘিরে আয়োজিত উৎসবটি ব্যাপক সাড়া ফেলে সারা দেশে। উৎসব প্রসঙ্গে ঢুলি কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদ মানজুর বলেন, ‘এ উৎসবে দর্শকের যে সাড়া আমরা পেয়েছি, সেটি এককথায় অবিশ্বাস্য। এমনও দেখেছি যে ঢাকা বাইরে থেকেও শুধু সালমান শাহর ছবি দেখার জন্য মানুষ এসেছে। আমরা স্বপ্ন দেখি সালমান শাহর ৫০তম জন্মবার্ষিকী দেশজুড়ে আরও বর্ণিল আয়োজনে করার। সেই প্রস্তুতি আমরা এর মধ্যে শুরু করেছি।’



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন