চলতে চলতেই মাঝখানে চলচ্চিত্র থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি। তবে গত দুবছর ধরে আবার সরব হয়ে উঠেছেন তিনি। নতুন নতুন ছবির কাজ, মডেলিং, ফটোশুট এবং ওয়েব সিরিজ- সবমিলিয়ে পপি যেন আবারও ছন্দে ফিরে এসেছেন। চলচ্চিত্রের বাইরে সম্প্রতি প্রথমবার ওয়েব সিরিজে কাজ করেও আলোচনায় চলে এসেছেন এই গস্নামারগার্ল। 'ইন্দুবালা' শিরোনামের এ ওয়েব সিরিজটি পরিচালনা করছেন অনন্য মামুন। পপি এখানে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
'ইন্দুবালা' আমার জন্য চ্যালেঞ্জ...
ওয়েব সিরিজটির গল্প, নির্মাণশৈলী দর্শকের কাছে খুব ভালো লাগবে। কারণ মামুন অনেক কষ্ট করে অনেক আন্তরিকতা নিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি নির্মাণ করেছেন। এটা আমার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। আর এর নাম ভূমিকায় আমিও চেষ্টা করেছি আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে অভিনয় করতে। ইন্দুবালা একজন শিক্ষিতা সাহসী নারী, প্রতিবাদী কণ্ঠ। সমাজের অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার এ নারীর প্রতিবাদ অহিংস উপায়ে। চরিত্রটি একেবারেই সিনেমাটিক। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ওয়েব সিরিজ হলেও সিনেমার মতোই এর গল্প। অনেক বাজেট নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এ ধরনের ওয়েব সিরিজ বাংলাদেশে আগে কষনও তৈরি হয়নি। তাই প্রথমবার এ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেওে বেশ ভালো লাগছে।
আমার কোনো আপত্তি নেই...
অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন, সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ তো এক নয়। একজন নামকরা নায়িকা হয়ে ওয়েবসিরিজে কেন অভিনয় করলেন? আমার মন্তব্য হলো, বাংলাদেশে এখন সিনেমার অবস্থা ভালো নয়। ব্যবসা মন্দা। প্রযোজক নেই। সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সবকিছু মানুষের হাতের মুঠোয় পাওয়া যাচ্ছে। তাই ইন্টারনেটভিত্তিক সবকিছুর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেই ভাবনা থেকেই ওয়েব সিরিজে কাজ করা। যেহেতু আমি একজন অভিনেত্রী এবং অভিনয় আমার পেশা, তাই গল্প, চরিত্র এবং বাজেট ঠিক থাকলে সিনেমা কিংবা ওয়েব সিরিজ যে কোনো মাধ্যমেই আমার কাজ করতে আপত্তি নেই।
'কাটপিস' নিয়ে চিন্তিত নই...
চলচ্চিত্রের নানা ঘটনা নিয়ে এই 'কাটপিস' সিনেমা। বাংলাদেশের সিনেমার এক সময়ে নায়িকা এবং অন্য অভিনয়শিল্পীদের অকারণে আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হতো। সেটা কেন? কীভাবে এসব হতো? কারা যুক্ত ছিল? এসবের পাশাপাশি একজন নায়িকার ব্যক্তিজীবন, চলচ্চিত্র জীবন, প্রেম-ভালোবাসা, আশপাশের মানুষদের ভূমিকা এই ছবিতে থাকবে। 'কাটপিছ' ছবির পোস্টারে আপনাকে দেখে চলচ্চিত্রের অনেকে কথা বলেছেন। পোস্টার ও নামের কারণে কেউ কেউ কিছু বলেছেন, তা আমার কানেও এসেছে। তবে এসব নিয়ে আমি চিন্তিত নই। সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে দেখছি। এদিকে অনেকে প্রশংসাও করেছেন। আমি একজন অভিনয়শিল্পী, গতানুগতিকতার বাইরে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। বহু বছর পর এত সুন্দর ভাবনা ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলাম। সবাইকে বলতে চাই, আমাকে অভিনয় করতে দিন, আমি মন দিয়ে কাজটা করি।
চাই ভিন্ন ধারার চরিত্র...
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি আমি ভিন্নধর্মী গল্পের ছবিতে অভিনয় করেছি। আমি একজন শিল্পী, নিজেকে এক ধরনের চরিত্রে কেন আটকে রাখব! বৈচিত্র্যময় কাজের সুযোগ যদি সামনে থাকে, তাহলে কেন গতানুগতিক ছবিতে অভিনয় করব? এর আগেও বিষয়ভিত্তিক ছবিতে অভিনয় করেছি। একেকটা ছবির ছিল একেক রকম চ্যালেঞ্জ। 'মেঘের কোলে রোদ' ছবিতে একজন এইডস রোগীর চরিত্রে অভিনয় করেছি। যদিও অনেক ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়, তারপরও কাজটা করেছি। 'গঙ্গাযাত্রা' ছবিতে আমার চরিত্রে কোনো গস্নামার ছিল না। একজন ডোমের চরিত্রের অভিনয় করেছি। মারপিটের সিনেমা 'ডাকু রানী' ও 'গার্মেন্টস কন্যা' আলাদা একটা ইমেজ তৈরি করে দিয়েছে আমার।
আমি এত সস্তা না..
চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়। এটা আমরা জানি। এ জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। এদিকে চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য ভালো মেকার, কাহিনী লেখক, প্রোডাকশন হাউস আসার পাশাপাশি সিনেমা হল সংস্কার করা খুব জরুরি বলে মনে করেন পপি। তিনি আরও বলেন, শিল্পীরা সব সময়ই ভালো কাজের জন্য প্রস্তুত থাকেন। আমিও এর বাইরে নই। যখন থেকে চলচ্চিত্রের ভাষা কিংবা কাজ বুঝতে শিখেছি তখন থেকে সবসময়ই ভালো কাজ করার চেষ্টা করেছি। এখনও ভালো কাজ করতে চাই। আর সস্তা কিছু করে দর্শকের মনে কষ্ট দিতে চাই না। তা ছাড়া নিজেকেও আমি সস্তা মনে করি না। দর্শকের মনে দাগ কাটার মতো চরিত্রগুলোতে কাজ করার ইচ্ছা আমার।
প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা...
খুব সংকটাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে চলচ্চিত্রে। ছবি মেকিংয়ের সংখ্যাই কমে গেছে। ডিজিটালের নামে সস্তা ছবি নির্মাণ হচ্ছে। এ থেকে বেরি আসতে হলে সরকারকেই পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের পদক্ষেপ নেয়ার কিছু নেই। সরকার যদি পদক্ষেপ নেয় তাহলে কিছু করা সম্ভব। ক্রিকেট আমাদের জাতীয় খেলা না কিন্তু সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য আজ বেশ জনপ্রিয়। প্রতিটি খেলোয়াড়ের নাম বাংলাদেশের ঘরে ঘরে সবাই জানে-চেনে। সরকার পদক্ষেপ নিলেই কেবল আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব।
নতুন কিছু পরিকল্পনা আছে...
'কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র', 'সাহসী যোদ্ধা' ছবির কাজ শেষ করলাম। অচিরেই শেষ হবে 'টান' এবং 'যুদ্ধশিশু' নামের দুটি ছবি। এর মধ্যে রিয়াজ ভাইয়ের সঙ্গে একটা বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজ করেছি। বর্তমানে স্টেজ শো নিয়েও বেশ ব্যস্ত আছি। নতুন কয়েকটি কাজের পরিকল্পনা করছি। 'রাজপথে' নামের নতুন একটি ছবিতে সাইন করেছি। এই ছবিতে তার সঙ্গে দেখা যাবে নায়ক জায়েদ খানকে। ছবিটি নির্মিত হবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে। ছবিটিতে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার মতো চরিত্র আছে।
ওয়েব সিরিজটির গল্প, নির্মাণশৈলী দর্শকের কাছে খুব ভালো লাগবে। কারণ মামুন অনেক কষ্ট করে অনেক আন্তরিকতা নিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি নির্মাণ করেছেন। এটা আমার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। আর এর নাম ভূমিকায় আমিও চেষ্টা করেছি আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে অভিনয় করতে। ইন্দুবালা একজন শিক্ষিতা সাহসী নারী, প্রতিবাদী কণ্ঠ। সমাজের অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার এ নারীর প্রতিবাদ অহিংস উপায়ে। চরিত্রটি একেবারেই সিনেমাটিক। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ওয়েব সিরিজ হলেও সিনেমার মতোই এর গল্প। অনেক বাজেট নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এ ধরনের ওয়েব সিরিজ বাংলাদেশে আগে কষনও তৈরি হয়নি। তাই প্রথমবার এ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেওে বেশ ভালো লাগছে।
আমার কোনো আপত্তি নেই...
অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন, সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ তো এক নয়। একজন নামকরা নায়িকা হয়ে ওয়েবসিরিজে কেন অভিনয় করলেন? আমার মন্তব্য হলো, বাংলাদেশে এখন সিনেমার অবস্থা ভালো নয়। ব্যবসা মন্দা। প্রযোজক নেই। সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সবকিছু মানুষের হাতের মুঠোয় পাওয়া যাচ্ছে। তাই ইন্টারনেটভিত্তিক সবকিছুর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেই ভাবনা থেকেই ওয়েব সিরিজে কাজ করা। যেহেতু আমি একজন অভিনেত্রী এবং অভিনয় আমার পেশা, তাই গল্প, চরিত্র এবং বাজেট ঠিক থাকলে সিনেমা কিংবা ওয়েব সিরিজ যে কোনো মাধ্যমেই আমার কাজ করতে আপত্তি নেই।
'কাটপিস' নিয়ে চিন্তিত নই...
চলচ্চিত্রের নানা ঘটনা নিয়ে এই 'কাটপিস' সিনেমা। বাংলাদেশের সিনেমার এক সময়ে নায়িকা এবং অন্য অভিনয়শিল্পীদের অকারণে আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হতো। সেটা কেন? কীভাবে এসব হতো? কারা যুক্ত ছিল? এসবের পাশাপাশি একজন নায়িকার ব্যক্তিজীবন, চলচ্চিত্র জীবন, প্রেম-ভালোবাসা, আশপাশের মানুষদের ভূমিকা এই ছবিতে থাকবে। 'কাটপিছ' ছবির পোস্টারে আপনাকে দেখে চলচ্চিত্রের অনেকে কথা বলেছেন। পোস্টার ও নামের কারণে কেউ কেউ কিছু বলেছেন, তা আমার কানেও এসেছে। তবে এসব নিয়ে আমি চিন্তিত নই। সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে দেখছি। এদিকে অনেকে প্রশংসাও করেছেন। আমি একজন অভিনয়শিল্পী, গতানুগতিকতার বাইরে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। বহু বছর পর এত সুন্দর ভাবনা ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলাম। সবাইকে বলতে চাই, আমাকে অভিনয় করতে দিন, আমি মন দিয়ে কাজটা করি।
চাই ভিন্ন ধারার চরিত্র...
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি আমি ভিন্নধর্মী গল্পের ছবিতে অভিনয় করেছি। আমি একজন শিল্পী, নিজেকে এক ধরনের চরিত্রে কেন আটকে রাখব! বৈচিত্র্যময় কাজের সুযোগ যদি সামনে থাকে, তাহলে কেন গতানুগতিক ছবিতে অভিনয় করব? এর আগেও বিষয়ভিত্তিক ছবিতে অভিনয় করেছি। একেকটা ছবির ছিল একেক রকম চ্যালেঞ্জ। 'মেঘের কোলে রোদ' ছবিতে একজন এইডস রোগীর চরিত্রে অভিনয় করেছি। যদিও অনেক ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়, তারপরও কাজটা করেছি। 'গঙ্গাযাত্রা' ছবিতে আমার চরিত্রে কোনো গস্নামার ছিল না। একজন ডোমের চরিত্রের অভিনয় করেছি। মারপিটের সিনেমা 'ডাকু রানী' ও 'গার্মেন্টস কন্যা' আলাদা একটা ইমেজ তৈরি করে দিয়েছে আমার।
আমি এত সস্তা না..
চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়। এটা আমরা জানি। এ জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। এদিকে চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য ভালো মেকার, কাহিনী লেখক, প্রোডাকশন হাউস আসার পাশাপাশি সিনেমা হল সংস্কার করা খুব জরুরি বলে মনে করেন পপি। তিনি আরও বলেন, শিল্পীরা সব সময়ই ভালো কাজের জন্য প্রস্তুত থাকেন। আমিও এর বাইরে নই। যখন থেকে চলচ্চিত্রের ভাষা কিংবা কাজ বুঝতে শিখেছি তখন থেকে সবসময়ই ভালো কাজ করার চেষ্টা করেছি। এখনও ভালো কাজ করতে চাই। আর সস্তা কিছু করে দর্শকের মনে কষ্ট দিতে চাই না। তা ছাড়া নিজেকেও আমি সস্তা মনে করি না। দর্শকের মনে দাগ কাটার মতো চরিত্রগুলোতে কাজ করার ইচ্ছা আমার।
প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা...
খুব সংকটাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে চলচ্চিত্রে। ছবি মেকিংয়ের সংখ্যাই কমে গেছে। ডিজিটালের নামে সস্তা ছবি নির্মাণ হচ্ছে। এ থেকে বেরি আসতে হলে সরকারকেই পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের পদক্ষেপ নেয়ার কিছু নেই। সরকার যদি পদক্ষেপ নেয় তাহলে কিছু করা সম্ভব। ক্রিকেট আমাদের জাতীয় খেলা না কিন্তু সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য আজ বেশ জনপ্রিয়। প্রতিটি খেলোয়াড়ের নাম বাংলাদেশের ঘরে ঘরে সবাই জানে-চেনে। সরকার পদক্ষেপ নিলেই কেবল আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব।
নতুন কিছু পরিকল্পনা আছে...
'কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র', 'সাহসী যোদ্ধা' ছবির কাজ শেষ করলাম। অচিরেই শেষ হবে 'টান' এবং 'যুদ্ধশিশু' নামের দুটি ছবি। এর মধ্যে রিয়াজ ভাইয়ের সঙ্গে একটা বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজ করেছি। বর্তমানে স্টেজ শো নিয়েও বেশ ব্যস্ত আছি। নতুন কয়েকটি কাজের পরিকল্পনা করছি। 'রাজপথে' নামের নতুন একটি ছবিতে সাইন করেছি। এই ছবিতে তার সঙ্গে দেখা যাবে নায়ক জায়েদ খানকে। ছবিটি নির্মিত হবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে। ছবিটিতে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার মতো চরিত্র আছে।
courtesy: jaijaidin

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন