সালমান শাহ্ এক সময়ের বাংলা চলচ্চিত্রের পর্দা কাঁপানো নায়ক তিনি। মনে হয় এইতো সেদিন! কিন্তু তার সৃষ্টিগুলো আজও হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ করে ভক্তদের। সময়ের পরিক্রমায় আজও বহু নারীর ক্রাশ হিসেবে বহুল পরিচিত তার নাম। হঠাৎ রহস্যজনক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সেই ধূমকেতু সেই আবেগ সেই ক্রেজকে চলে যেতে হয় সবাইকে কাঁদিয়ে।
সালমান শাহ্র স্ত্রী ছিলেন সামিরা। সামিরার বাবা জাতীয় দলের সাবেক উইকেটকিপার অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা। মা থাইল্যান্ডের নাগরিক চট্টগ্রামের বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী লুসি। লুসি বিউটি পার্লার নামে তার চট্টগ্রামে একটি পার্লার রয়েছে। বিয়ের পর সামিরা ঢাকায় একটি বিউটি পার্লারও খুলেছিলেন। সালমানের মৃত্যুর পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ এবং মৃত্যুর জন্য তাকে দায়ী মনে করা হয়।
স্বামী সালমানের মৃত্যুর পর সামিরা ব্যবসায়ী মুস্তাক ওয়াইজকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরে তিনি দেশ ছেড়ে থাইল্যান্ডে চলে যান। নতুন সংসারে একটি ছেলে ও দুটি মেয়ে রয়েছে। একেবারে প্রয়োজন না পড়লে সামিরা বাংলাদেশে আসেন না।
এদিকে সালমানের মৃত্যুকে হত্যা নয় বরং তিনি নিজেই পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে পিবিআই সংবাদ সম্মেলনে তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছেন।
১৯৯৬ সালে সালমানের মৃত্যুর পর মা নীলা চৌধুরী ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি বলেন, সামিরার সাথে বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল এবং এ দু’জন মিলে সালমানকে হত্যা করেছে।
উল্লেখ্য, মৃত্যুর ২দিন আগে একটি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামে সামিরাকে চুমু দেয়ায় আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে চর মারেন নায়ক সালমান শাহ্। এতে ক্ষেপে গিয়ে আজিজ হুমকি দিয়ে সালমানকে বলে ‘তোকে দেখে নিব’।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন